• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০১:১৯ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
নীলসাগর ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত, ঢাকার সঙ্গে উত্তরবঙ্গের রেল যোগাযোগ বন্ধ বিশ্ব স্ট্রোক দিবস: স্ট্রোকের ঝুঁকি, রিহ্যাবের সংকট ও পুনর্বাসনে সচেতনতার আহ্বান তুরাগ নদ থেকে বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফের মরদেহ উদ্ধার হত্যা মামলায় মাগুরার সাবেক ওসি ও এসআই জেলহাজতে ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে ৯ কর্মকর্তা প্রত্যাহার সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় জলঢাকা পৌরসভার সাবেক মেয়র গ্রেপ্তার রানীরবন্দরে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ব্যবসায়ী নিহত “ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী” চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু

স্কুল খুললেও হাজিরা বাধ্যতামূলক হবে না

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ।। করোনাভাইরাস মহামারির কারণে চলা লকডাউন তুলে নেয়ার পর স্কুল খুললেও সে সময় শিক্ষার্থীদের হাজিরা বাধ্যতামূলক হবে না বলে মেয়রদের নির্দেশনা দিয়েছেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমান্যুয়েল ম্যাক্রোঁ।

গত বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন ফরাসি প্রেসিডেন্টের মুখপাত্র।

আগামী ১১ মে লকডাউনের সময়সীমা শেষ হওয়ার পর সব স্কুল খুলে দেয়ার পরিকল্পনা রয়েছে ফ্রান্সের। এ বিষয়ে ফরাসি প্রেসিডেন্ট বলেছেন, যেসব অভিভাবক তাদের সন্তানদের স্কুলে পাঠাতে চাচ্ছেন না, তাদের কোনোভাবেই বাধ্য করা হবে না।

এদিকে, লকডাউন শেষ হলে খুচরা পণ্য বিক্রেতাদের দোকান ফের খুলে দেয়ার প্রস্তাব দিয়েছে ফরাসি সরকার।

বৃহস্পতিবার দেশটির অর্থমন্ত্রী ব্রুনো লা মেয়ার জানিয়েছেন, লকডাউনের সময়সীমা শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই সব রেস্টুরেন্ট, বার ও ক্যাফে খুলে দেয়া হবে। তবে সবচেয়ে বেশি করোনা আক্রান্ত এলাকাগুলোতে ১১ মের পরেও কিছু নিষেধাজ্ঞা জারি থাকবে।

করোনার প্রকোপ ঠেকাতে মার্চের মাঝামাঝি দেশজুড়ে লকডাউন জারি করে ফ্রান্স। তবে এতে অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের কারণে ব্যাপক চাপের মুখে রয়েছেন প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁ। ফলে মহামারির দ্বিতীয় ধাক্কা নিয়ন্ত্রণে রেখে কীভাবে ব্যবসা-বাণিজ্য চালু রাখা যায় সেই চেষ্টা করছে দেশটির সরকার।

বিশ্বের মধ্যে চতুর্থ সর্বাধিক করোনা সংক্রমিত দেশ ফ্রান্স। ইতোমধ্যেই সেখানে দেড় লাখেরও বেশি মানুষ প্রাণঘাতী এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। মারা গেছেন ২১ হাজারেরও বেশি। আর সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৪১ হাজার ৩৩১ জন।

সূত্র: সিএনএন, রয়টার্স


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ